রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪, ৩০ আষাঢ়, ১৪৩১

স্ট্রাইক রেট নিয়ে কোহলির পাশে দাঁড়ালেন বাবর

রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে এবারের আইপিএলের প্রথম সেঞ্চুরি করলেন বিরাট কোহলি। কিন্তু তার এই সেঞ্চুরিকে ম্লান করে দিয়েছিলেন রাজস্থান রয়্যালসের জস বাটলার। তিনিও সেঞ্চুরি করেছিলেন এবং কোহলির রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে হারিয়েছিলো ৬ উইকেটে।

বিরাট কোহলি আইপিএলের ইতিহাসে ৮ম সেঞ্চুরি করলেন। কিন্তু এই সেঞ্চুরিটাই তাকে সবচেয়ে বেশি সমালোচনার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। কারণ ৬৭ বলে সেঞ্চুরি করা এবং ৭২ বলে ১১৩ রান করেছেন যে স্ট্রাইক রেটে, তা নিয়েই সবচেয়ে বেশি সমালোচনায় মুখর ক্রিকেটবোদ্ধারা।

বিরাট কোহলির স্ট্রাইক রেট নিয়ে জানতে চাওয়া হয় পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজমের কাছে। বাবর নিজেও স্ট্রাইক রেট নিয়ে সব সময় সমালোচনার শিকার। কারণ, উঁচু স্ট্রাইক রেটে তিনিও কখনো ব্যাট করতে পারেননি। বিরাট কোহলির কম স্ট্রাইক রেটই কী বেঙ্গালুরুর পরাজযের কারণ ছিল?

এর জবাবে বাবর আজম বিরাট কোহলির পাশেই দাঁড়ালেন। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, স্ট্রাইক রেট কম হওয়ার আর পরাজিত হওয়া এক নয়। কারো স্ট্রাইক রেট কম হলেই যে সেই দল জিততে পারবে না তা নয়।

আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে স্লো সেঞ্চুরির রেকর্ডটাই করেছেন কোহলি। যদিও এই তালিকায় তিনি একক নন। দ্বিতীয়। বেঙ্গালুরুর হয়ে ইনিংস ওপেন করতে নেমে ১২০ বলের মধ্যে একাই ৭২টি বল খেলেছেন কোহলি। নিজে ১১৩ রান করেন। বাকিরা যোগ করেন ৫৯ রান। দলের স্কোর দাঁড়ায় ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮৩।

বিরাট কোহলির নামের পাশে সেঞ্চুরি শোভা পেলেও এমন স্ট্রাইক রেট শোভা পায় না। তিনি সাধারণত আরেকটু দ্রুতগতির ব্যাটিংই করে থাকেন। এমন পরিস্থিতিতে তুমুল সমালোচনার শিকার কোহলি। এ নিয়ে একটি পডকাস্টে বাবর আজম বলেন, ‘মানুষ স্ট্রাইক রেট নিয়েই কথা বলে যাচ্ছে। আমি ভিন্ন এক খেলোয়াড়। আমি সব সময় পরিস্থিতি দেখি এবং সে অনুযায়ী নিজেকে মানিয়ে নিই। ম্যাচ জয় সব সময়ই আমাদের লক্ষ্য থাকে। সেই লক্ষ্যেই ফোকাস করি। ইনিংস গড়ে তুলি। এমন স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করি, যেন সেটা দিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি।’

কোহলির স্ট্রাইক রেট নিয়ে সমালোচকদের সমালোচনার জবাবে বাবর বলেন, ‘স্ট্রাইক রেট ভিন্ন একটি গল্প। এর সঙ্গে জয়-পরাজয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। একটি ইনিংস গড়ে তোলা এবং জয়-পরাজয় সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।’

Join Manab Kallyan