মানব কল্যাণ পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো: গোলজার হোসেন ভূঁইয়া’র মমতাময়ী মা রওশন আরা মৃত্যু বরণ করেছে আজ। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ১৫ আগস্ট গভীর রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি না ফেরার দেশে চলে যান। তাঁর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিলো ৭২ বছর। একজন মায়ের প্রস্থান সন্তানের জীবনে এক গভীর শূন্যতা তৈরি করে। এই কঠিন সময়ে কোনো সান্ত্বনাই যথেষ্ট নয়। মায়ের স্নেহ, ভালোবাসা এবং আশীর্বাদ মানব কল্যাণ পরিষদের স্বেচ্ছাসেবক সদস্যদের জন্য সর্বদা অমূল্য সম্পদ ছিল। তার আন্তরিকতা ও মহানুভবতা সবসময় স্মরণে রাখবে সংগঠনটি। তার প্রস্থান এক গভীর ক্ষত সৃষ্টি করল।
এই মমতাময়ী মায়ের মৃত্যুতে মানব কল্যাণ পরিষদ গভীরভাবে শোকাহত ও আন্তরিকভাবে ব্যথিত এবং সমব্যথী। মা হারানোর বেদনা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও অপূরণীয় ক্ষতি উল্লেখ করে মানব কল্যাণ পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ মান্নান ভূইয়া, মহাসচিব মো: নিজাম উদ্দিন ও স্থায়ী পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ আনিস এক শোক বার্তায় বলেন, আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় তিনি। ইন্তেকাল করেছেন আজ। তিনি একজন অত্যন্ত দয়ালু ও নেককার নারী ছিলেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর জীবনের সব ভুলত্রুটি ক্ষমা করুন। মহান রাব্বুল আলামিন মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত দান করুন এবং পরিবারকে এই কঠিন শোক সহ্য করার ধৈর্য ও শক্তি দিন। এবং তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব করুন। আমীন।
উল্লেখ্য যে, মরহুমা রওশন আরার স্বামী মরহুম আবদুল মতিন ভূঁইয়া। তাঁর বড় ছেলে নারায়ণগঞ্জ মহানগরের নাসিক ১০নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোক্তার হোসেন ভূঁইয়া, মেজো ছেলে মানব কল্যাণ পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গোলজার হোসেন ভূইয়া, সেজো ছেলে নেবুলা একাডেমিক কেয়ারের পরিচালক আহসান হোসেন ভূঁইয়া ও ছোট ছেলে ব্যবসায়ী শাহজাহান ভূঁইয়া। এছাড়াও মরহুমা রওশন আরা মৃত্যুকালে ৪ ছেলে ছাড়াও মেয়ে ও নাতী, নাতনী এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মরহুমার নামাজে জানাজা আজ শনিবার সকাল ১০ টায় ঐতিহ্যবাহী পাঠানটুলী শাহী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে পাঠানটুলী সিটি কবরস্থানে তাঁর লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়। পরিশেষে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়েছে। মরহুমার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।





















