বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১২ চৈত্র, ১৪৩২

নারায়ণগঞ্জে জ্বালানি তেল সংকটে ভোগান্তিতে চালকরা

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে নারায়ণগঞ্জ শহরেও জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি হয়েছে। তবে সংকট এখনও তীব্র আকার ধারণ করেনি। পেট্রোল পাম্পগুলো পরিমাণে কম দিয়ে হলেও জ্বালানি তেলের সরবরাহ অব্যাহত রেখেছেন।

এদিকে পাম্পগুলো স্বল্প পরিমাণে তেল বিক্রি করায় চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল পাচ্ছেন না চালকরা। এতে ভোগান্তি পোহাতে ছোট-বড় বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের।

চালকদের অভিযোগ, পেট্রোল পাম্পগুলো থেকে ট্যাক্সিসহ বড় যানবাহনে এক হাজার টাকার এবং মোটরসাইকেলে ২০০ টাকার তেল নির্ধারণ করে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে তাদের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। সীমিত এই তেল নিয়ে দূরের পথে যাতায়াত করা যাচ্ছে না।

সবুজ সরকার নামে এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, আমি অকটেন নেওয়ার জন্য এসেছিলাম। এসে দেখি অকটেন নেই। এখন অন্য পাম্পে যেতে হবে। আবার কোনো কোনো পাম্পে অকটেন দিলেও পরিমাণে কম দিচ্ছে। যতটুকু দরকার ততটুকু পাচ্ছি না।

শহরের চাষাড়া এলাকার প্রান্তিক সার্ভিস স্টেশনের অপারেটর আনিস বলেন, আমাদের ডিজেলের কোনো সংকট নেই। অকটেন সংকট রয়েছে সেটা ডিপো থেকেই কম দেওয়া হচ্ছে। যার কারণে আমরা গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী অকটেন দিতে পারছি না। মোটরসাইকেল ২০০ টাকা এবং মাইক্রোবাসকে ১ হাজার টাকা পরিমাণের অকটেন দেওয়া হচ্ছে। যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণ দিতে পারবো।

প্রান্তিক সার্ভিস স্টেশনের মালিক মোহাম্মদ মশিউর বলেন, ডিপো থেকে তেল কম দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ঈদের দীর্ঘ ছুটির কারণে কিছু কিছু ব্যাংক বন্ধ থাকায় তেলের এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে বঙ্গবন্ধু সড়কের মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টারের ক্যাসিয়ার নাজমুল মিয়া বলেন, আমাদের এখানে গতকাল থেকে অকটেন দেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। ডিজেল তেল দেওয়া হচ্ছে কিন্তু অকটেন বন্ধ। কারণ চালকদের চাহিদা অনুযায়ী অকটেন দিতে পারছি না। চালকদের সঙ্গে কোনো রকমের ঝামেলায় জড়াতে চাই না।

এই খবরটি আপনার বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন
Join Manab Kallyan